এরশাদুল ইসলাম, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধিঃ

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ৩ নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন এর ইয়াংছা ইউনিটের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের আগের কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন কমিটি গঠন। গতকাল ৩রা অক্টোবর, রবিবার ইয়াংছায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ৭১ সদস্য কমিটি গঠন করে।

নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয় জনাব মোঃ মমতাজুল ইসলাম, সিনিয়র সহসভাপতি জনাব মোঃ কামাল উদ্দিন, সহসভাপতি ক্যচিংহলা মার্মা (নিমু হেডম্যান ) সহ, কলিমুল্লাহ, সহ, মংফোচিং মার্মা।

সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়, জনাব শহিদুজ্জামান মাষ্টার (ইউপি সদস্য) ৮নং ওয়ার্ড।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আপ্রুচিং মার্মা (ইউপি সদস্য) ৯নং ওয়ার্ড, মোঃ আব্দুল জলিল।
দপ্তর সম্পাদক, মোঃ ইলিয়াছ, সহ-দপ্তর সম্পাদক, রমজান আলী।
প্রচার সম্পাদক, অনিক ত্রিপুরা, সহ-প্রচার সম্পাদক রাপ্রু মার্মা।
কোষাধ্যক্ষ, মোঃ ইসমাইল, মুক্তিযোদ্বা সম্পাদক, মোঃজাকের হোসেন, কৃষি বিষয়ক, মোঃ ইলিয়লাছ খান, বন ও পরিবেশ বিষয়ক, বাছারাম ত্রিপুরা, ধর্ম বিষয়ক, মৌঃ মোঃ মাহবুবুর রহমান, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক, অংশৈপ্রু কারবারী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক, বাবু রিংকু ধর।
এছাড়াও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয় , আনাই মার্মা সুমি।
সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওমর, চংপাত ম্রো ও কার্যকরী সদস্য, মোঃ মুফিজ উদ্দিন প্রধান শিক্ষক ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি মোস্তফা জামাল, চেয়ারম্যান লামা উপজেলা পরিষদ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জহিরুল ইসলাম, সম্মানিত মেয়র লামা পৌরসভা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত চিলেন প্রদীপ কান্তি দাশ, সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ লামা উপজেলা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নুরুল হোসাইন চৌধুরী, সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ৩নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন।

উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন কালাম উদ্দিন আহব্বায়ক বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ইয়াংছা ইউনিট শাখা ও ইউপি সদস্য ৭নং ওয়ার্ড। এ সময় অতিথিরা বলেন এই কমিটির মাধ্যমে লামা উপজেলা আওয়ামী লীগকে আরোও শক্তিশালী করে তুলবে।

আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, জেলা কমিটির মেয়াদ তিন বছরের। কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদও তিন বছরের। দলের জাতীয় কাউন্সিলের আগে জেলা ও অন্যান্য ইউনিটের কাউন্সিল হওয়ার নিয়ম রয়েছে। আবার জেলার কাউন্সিল করতেও উপজেলা-থানা ও ওয়ার্ডের কাউন্সিল করার নিয়ম রয়েছে। গত ডিসেম্বরে জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলেও, করোনার কারনে অন্তত পঞ্চাশটি জেলার কাউন্সিল করতে পারেনি দলটি।