হাটে পশু আছে, ক্রেতা নেই দ্বিতীয় দিনেও পুরোদমে জমে উটেছে শাহপুরের কোরবানির পশুর হাট ।

0
পুরোদমে জমে উটেছে শাহপুরের কোরবানির পশুর হাট ।
পুরোদমে জমে উটেছে শাহপুরের কোরবানির পশুর হাট ।

মোঃ হাউশ মিয়া-মাধবপুর প্রতিনিধিঃ

ঈদুল আজহা বা কুরবানির ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। এরই মধ্যে হাটে পশু ওঠতে শুরু করছে। তবে বেচা-বিক্রি তেমনটা শুরু হয়নি। হাটে দর্শক আছে। ক্রেতা নেই।

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা ৯নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের শাহপুর নতুন বাজার কুরবানি উপলক্ষে পশু হাটে ক্রেতা কম থাকায় লোকশানের আশঙ্কায় খামারি ও কৃষকরা। মাধবপুরে এবার কুরবানির পশুর দাম চড়া।

এ বিষয়ে আমাদের সংবাদদাতাদের পাঠানো প্রতিবেদন-মাধবপুর থেকে মোঃ হাউশ মিয়া জানান, শাহপুর বাজারে কুরবানির উপলক্ষে পশুহাটে ক্রেতা না থাকায় লোকশানের আশঙ্কায় গ্রামের পশু পালক কৃষক ও কামারিরা কুরবানিরর আর মাত্র দুইদিন বাকি।

হাটে পশু আছে, ক্রেতা নেই দ্বিতীয় দিনেও পুরোদমে জমে উটেছে শাহপুরের কোরবানির পশুর হাট ।

এই সুবাদে শাহপুর অস্থায়ী বাজারে প্রতিদিন বসবে পশুরহাট । সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখা গেছে, বিকেলে আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে শাহপুর বাজারে পশুহাটে গরু ও ছাগলের আমদানী হয়েছে প্রচুর পরিমানের।

কয়েকজন ক্রেতা ও ব্যবসায়ীর সাথে আলাপ করে জানা যায়, চলতি বছর পশুর উৎপাদন ব্যাপক হারে বেড়েছে যার কারণে ঈদ-উল আযহা উপলক্ষে পশুর আমদানীও হয়েছে প্রচুর। দেশের বৃহৎ অঞ্চল বন্যায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে বাইরের বেপারির আগমন না ঘটায় বিক্রি খুব কম।

এই দিকে আরও মহামারী করোনাভাইরাসের আশংকা গরু ব্যবসায়ী ১১নং বাঘাসুরা ইউনিয়নের হরিতলা গ্রামের ফরাস উদ্দিন জানান, চলতি বছর গরু হাটে কোন বেচা বিক্রি নাই। দুই এক জন যাও আছে তারাও পশু হাট থেকে পশু না কিনে গ্রামের খামারিদের কাছ থেকে পশু ক্রয় করছেন। এ

ই বিষয়ে জানতে চাইলে- বাজার ইজারাদার মোঃ জমির আলি বলেন- বাজারে গরু নিয়ে কৃষক কামারিরা আসে টিকি কিন্তু গ্রাহক কম, বিশ্বব্যাপী করোনার জন্য অনেকেই বাজারে আসেনা বাড়ি থেকে পশু ক্রয় করে নেন ।